প্রচ্ছদ > রাজনীতি > অন্যান্য

আমিরের উপদেষ্টাকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পদায়নের চিঠির যে ব্যাখ্যা দিল জামায়াত

article-img

জামায়াত আমিরের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসানকে মন্ত্রীর পদমর্যাদায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দেখতে চান, এ সংক্রান্ত চিঠির ব্যাখ্যা দিয়েছে দলটি। এতে মন্ত্রীর পদমর্যাদা সংক্রান্ত অংশটি আমিরের নির্দেশনায় ছিল না বলে জানানো হয়। 

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গণমাধ্যমে প্রকাশিত ঘটনাটি মূলত প্রায় দুই সপ্তাহ আগের। সে সময়ে প্রফেসর ড. মাহমুদুল হাসান জামায়াত আমিরের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। দেশের পররাষ্ট্র বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর কিছু অবস্থান স্পষ্ট করার স্বার্থে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে একটি চিঠি পাঠানোর বিষয়ে তিনি দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন। কিন্তু তিনি আমির কর্তৃক নির্দেশিত বিষয়াবলির বাইরে কিছু বিষয় যুক্ত করে চিঠিটি মন্ত্রণালয়ে পাঠান। বিশেষ করে চিঠিতে উল্লেখিত মন্ত্রীর পদমর্যাদা-সংক্রান্ত অংশটি জামায়াত আমিরের নির্দেশনায় ছিল না।

বিবৃতিতে গোলাম পরওয়ার বলেন, বিষয়টি দলের দৃষ্টিগোচর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেন। প্রফেসর ড. মাহমুদুল হাসানকে আনুষ্ঠানিকভাবে ২ মার্চ ওই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেমকে (আরমান) বিরোধীদলীয় নেতার নতুন পররাষ্ট্র-বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দায়িত্বশীল, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক রাজনৈতিক আচরণে বিশ্বাসী। কোনো বিষয়ে বিভ্রান্তি বা ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হলে আমরা তা দ্রুত সংশোধনের নীতিতে বিশ্বাস করি। আলোচ্য ঘটনার ক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ এরই মধ্যে নেওয়া হয়েছে। তাই আর ভুল বোঝাবুঝির কোনো অবকাশ নেই। সংশ্লিষ্ট সবাইকে সঠিক তথ্য যথাযথ উপস্থাপনের জন্য অনুরোধ জানিয়েছে দলটি।

এর আগে গত ২২ ফেব্রুয়ারি বিরোধীদলীয় নেতার দপ্তর থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি চিঠি পাঠানো হয়। ওই চিঠিতে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির তার পররাষ্ট্র-বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসানকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দেখতে চান বলে উল্লেখ করা হয়।